Navbar


কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হেরে গেলেও লড়তে হবে ।

 হেরে গেলেও লড়তে হবে ।                

   অঞ্জন কুমার জানা ।


প্রথম যখন হাঁটতে শেখা 

কি বাসনা ছুটতে চাওয়ার,

ধরতে চাওয়া আকাশটাকে ।

হাজার খানেক আছাড় খেয়েও 

হাল ছাড়িনি চলতে শেখার ।


সেই যে পথ চলার শুরু 

আজও হাঁটি জীবন পথে।


 প্রথম যখন বলতে শেখা 

কত কথা, বলতে চাওয়ার 

আধো কথার কলকলানি ।

কি যে ছিল সেই ভাষাতে ,

মা ছাড়া আর কেউ বোঝেনি ।


প্রথম যখন লিখতে শেখা

 অ-আ-ক-খ মক্স দেওয়া 

 হাজার গন্ডা সিলেট খড়ি ,

ভেঙ্গেই তবে হাতে খড়ি ।


এমনি করেই জীবন পথে 

ব্যর্থ হওয়াও

সার্থকতার প্রথম সোপান। 

এমনি করেই হাল না ছেড়ে

গাইতে হবে বাঁচার স্লোগান।


নিজের মধ্যে ফাঁক না রেখে 

 হেরে গেলেও লড়তে হবে। 

হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা কি ভাই 

 নিজেকেই তো বুঝতে হবে?

সেই হৃদয় সেই উপহার

                               সেই হৃদয় সেই উপহার 

ঘুমে মগ্ন যে শিশু 
তার সাথে মিশে আছে হৃদয়ের নিবিড়তা,
সব শব্দের আঙ্গিনা জুড়ে 
যে সতেজতা মিশে আছে একান্ত একান্ত কথায় 
তার ভিতর 
জ্বলতে থাকে অকৃত্রিম প্রেমের দিশা 
সে-সত্য ঘিরে 
আজ যদি এই  সত্য রচনা হয় 
তবে জীবনের কোনদিক আর খালি থাকে?
তুমিও সেই সত্য 
যে  সত্যে আলোকিত দিগন্তের 
অপারে থাকা এক স্বচ্ছ আত্মিক পৃথিবী 
হৃদয়ের স্বচ্ছতায় ডুব দিয়ে থাকে 
এখানে তোমার হৃদয়ের উপহার
এক সাজানো সময়কেও টেক্কা দেয় 
মধুর করে জীবনের সব বিষাদ 
উপচে ওঠা বেদনার ঢেউয়ে  
মিশিয়ে দেয় খুশির রং 
উচ্ছাসিত হয়ে ওঠে জীবনের ছন্দ। 
তখন ভালো লাগে এই পৃথিবীর পথ। 
এই স্বপ্ন আমাকে 
সামনে যেতে সাহস দেয়
আমি ক্রমশ সাহসী হই 
প্রেমিক হয়। 
আর সামনে দাঁড়িয়ে পেতে চাই
চিরকাল এইরকম হৃদয়ের নির্মল উপহার।
তুমি দিও চিরকাল সেই হৃদয় ,
 সেই উপহার।

রচনায় -বৃন্দাবন কাজলী

অমৃত বাসনা

অমৃত বাসনা

         অঞ্জন জানা

আমার স্বপ্নের বাসনা গুলি 
এক সাথে পুঁটলি বেঁধে  তুলে রেখেছি 
কোনো দিন যদি 
এক ঘেঁয়ে খেলা গুলো 
আর ভালো না লাগে,
তবে পুঁটলি খুলে দেখো 
হীরে  জহরতের মতো দামি,
আর  আমৃতের স্বাদ খুঁজে পাবে।
আমার বাসনা গুলি পুস্প দলে 
বিকশিত হবে সুখের সীৎকারে।
খুশীতে শঙ্খ ঘণ্টা করে 
ছুঁয়ে যাবে আকাশ বাতাস 
আমার ভীষণ বিষাদ গুলি,
নিঃশব্দে হাসিতে, নিরব পদ চারণায়।